নগরফুল হেলথ এন্ড নিউট্রিশন টিমের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবা ক্যাম্প- ২০২৫
সময়: শুক্রবার, দুপুর ২:৩০ মিনিট
স্থান: ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশন, চট্টগ্রাম
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পুষ্টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘নগরফুল হেলথ এন্ড নিউট্রিশন টিম’ নিয়মিত বিরতিতে বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় নগরফুলের উদ্যোগে গত ২১শে নভেম্বর, ২০২৫ ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশনে একটি বিশেষ স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে শিশুদের সাধারণ চিকিৎসার পাশাপাশি চক্ষু ও ডেন্টাল চেকআপ এবং পুষ্টি বিষয়ক পরামর্শ প্রদান করা হয়।
এই ক্যাম্পের মূল উদ্দেশ্যগুলো ছিল:
- সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুদের মাঝে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান
- চক্ষু পরীক্ষা করা
- দাঁতের যত্ন ও পুষ্টি বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি করা
- সামগ্রিক শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা
উক্ত প্রোগ্রামে নগরফুলের ষোলশহর শাখা এবং ডিসি হিল শাখার শিশুরা সেবা গ্রহণ করেছে। ক্যাম্পে প্রায় ১০০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশু স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করেছে। যন্মধ্যে- ষোলশহর শাখার ছিল ৭১ জন এবং ডিসি হিল শাখার ছিল ২৪ জন।
শিশুদের সেবা প্রদানে নিয়োজিত ছিলেন অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ দল:
ডা. মোহাম্মদ মুন্না
ডেন্টাল টিম:
মঈনুল ইসলাম রাফি, জান্নাতুল কানন রাকা
নিউট্রিশন টিম:
- মোহাম্মদ জুনায়েদূর রহমান
- মোহাম্মদ জুলহাস
- অনামিকা কর্মকার
- দ্বীপান্বিতা দে
- নাদিয়া আক্তার ও
- ফারজানা আফরোজ সিমা
চক্ষু সেবা (চট্টগ্রাম আই হসপিটাল টিম):
- সাদিয়া সুবাহ
- তোহফাতুল জান্নাত রাইতা
- মাইমুনা দিদার
মেডিসিন বিতরণে ছিলেন:
- ইকবাল জাহেদ সোহেল
- মুজাহিদুল ইসলাম ইসফাত
- ফারহানা আঁখি
- মেহেরুন নেছা শাকিরা
- মোহাম্মদ মুনতাসির
- শরাফুল হক ওমি
বিশেষ ধন্যবাদ: ডা. মোহাম্মদ মুন্না ভাই এবং চট্টগ্রাম আই হসপিটালের স্বেচ্ছাসেবী টিমকে তাদের মূল্যবান সময় ও সেবার জন্য।
নেতৃত্ব ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন:
নগরফুল হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন প্রজেক্ট ডিরেক্টর জান্নাতুল কানন রাকা, কো-ডিরেক্টর শামীমা ফেরদৌস এবং SDR প্রজেক্ট ডিরেক্টর ফারজানা আফরোজ সিমা। বিশেষ করে ফারজানা আফরোজ সিমা আপুর প্রচেষ্টায় প্রথমবাবের মতো নগরফুলের শিশুদের আই চেকাপ সম্ভব হয়েছে।
এই মহতী উদ্যোগ সফল করার পেছনে যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সহযোগিতা ছিল, তাদের প্রতি নগরফুল পরিবার বিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছে।
আপনাদের সকলের সহযোগিতায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা ভবিষ্যতে আরও বেশি উপকৃত হবে, ইনশাআল্লাহ।